Back to products
Pollack
Pollack Original price was: 2.89৳ .Current price is: 2.45৳ .500g

Atlantic Salmon

7.68৳ each

(1 customer review)

899 in stock

হোয়াটসঅ্যাপ কল করুন
Category:

আমের আচার কেন খাবেন? উপকারিতা ও তৈরির পদ্ধতি

আম বাংলাদেশের একটি মৌসুমি ফল। স্বাদ এবং গুণের কথা বিচার করলে জাতীয় ফল কাঁঠাল না করে আম করলে তা বেশি সমীচীন হতো। যাইহোক, আমাদের আজকের লেখায় আমরা আলোচনা করবো আমের আচার নিয়ে। বিশেষ করে আমের আচার কেন খাওয়া উচিত, এর উপকারিতা কি কি এবং এই আচার কীভাবে তৈরি করে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করবো।

আমাদের খাঁটি আমের আচারের বৈশিষ্ট্য

বিন্নিফুডের অসাধারণ স্বাদের কাঁচা আমের টক ঝাল মিষ্টি আচার

  • অসাধারণ টেস্টি ও রসালো স্বাদ।
  • নিজস্ব খাঁটি সরিষার তেলে তৈরি।
  • ১০০% অর্গানিক ও ভেজাল মুক্ত।
  • কোন প্রকারের প্রিজারভেটিভ নেই।
  • বাসায় নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে তৈরি।
  • সারাদেশে ডেলিভারি সুবিধা ও সাশ্রয়ী মূল্য।
ক্যাশ অন ডিলিভারিতে অর্ডার করুন।

আমের আচার কেন খাবেন?

আচার একটি উপকারী খাদ্য। প্রাচীন কাল থেকেই আমাদের খাদ্য তালিকায় আচার স্থান করে নিয়েছে। গতানুগতিক ধারায় বিভিন্ন প্রকারের ফল দিয়ে সুস্বাদু আচার বানানো হয়। বিশেষ করে মৌসুমি ফল দিয়ে আচার বানানো আমাদের দেশে উৎসবের মত। আম আমাদের সবার পরিচিত একটি সুস্বাদু ফল। আমে রয়েছে বিভিন্নরকম পুষ্টিগুণ যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। আম দিয়ে তৈরি আচার এই পুষ্টিগুনকে আরও দ্বিগুণ করে তোলে। নিচে আমের আচার কেন খাওয়া উচিত সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করতে

আমরা জানি আম একটি অত্যন্ত মুখরোচক টক এবং মিষ্টি ফল। কাঁচা এবং পাকা উভয় অবস্থায় আম খাওয়া যায়। কাঁচা আম ভর্তা করে খাওয়ার পাশাপাশি শুধু মাত্র লবণ মিশিয়ে অনেক মজা করে খাওয়া যায়। এরই ধারাবাহিকতায় আমের আচার তৈরি করে তা অন্যান্য খাবারের সাথে খাওয়া হয়। এতে একাধারে যেমন খাবারের গুণগত পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি পায় তেমনি খাবারের স্বাদ অনেক গুন বেড়ে যায়। বিশেষ করে গরম ভাতের সাথে মাছের ঝোল এবং এক চামচ আমের আচার খেলে মনে হবে অমৃত খাচ্ছি। যাইহোক, যে কোন খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করার জন্য আমের আচার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

হজম ক্ষমতা বাড়াতে

আমরা প্রায় সময় হজমের সমস্যায় ভুগি। বিশেষ করে পেটে যদি আসিডিটির সমস্যা থাকে বা অতিরিক্ত তেল জাতীয় খাবার খেলে হজম সমস্যা হয়। অনেক সময় ভারী খাবার যেমন গরুর মাংস দিয়ে পোলাও খেলে তা সহজে হজম হতে চায় না। তবে যে কোন টক জাতীয় খাবার বা টক দই হজমে প্রচুর পরিমাণ সাহায্য করে। বিশেষ করে যে কোন খাবার খাওয়ার পর যদি পরিমাণ মত আমের আচার খাওয়া হয় তবে আচারে থাকা উপাদান দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে। আমের আচারে থাকা এনজাইম খাবার পাচন করতে সহায়তা করে যা হজম সক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

রুচি বৃদ্ধি করতে

আমাদের শরীরে যখন কোনো রোগ বাসা বাধে তখন খাবারে অরুচি দেখা দেয়। অরুচির কারণে কম খাবার গ্রহণের ফলে দেহ রোগ প্রতিরোধ করার শক্তি হারিয়ে ফেলে। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন পরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের। সে দিক বিবেচনা করলে আমের আচার সবার প্রথম সারিতে থাকবে। কারণ এই আচার খেতে টক, ঝাল এবং মিষ্টি হয়। যা আমাদের জিহ্বার স্বাদ গ্রহণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এতে আমাদের খাবার গ্রহণের রুচি বৃদ্ধি পেতে থাকে। বিশেষ করে আমের আচারের টক স্বাদ মুখের রুচি বৃদ্ধি করে।

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য যে যে উপাদান প্রয়োজন তার সবকিছুই আমের আচারে পাওয়া যায়। এই আচার তৈরি করার সময় যে মশলা ব্যবহার করা হয় তা পুষ্টিগুণ আরও দ্বিগুণ করে। আমের আচার খাওয়ার কারণে হজম বৃদ্ধি পায় এবং মুখে রুচি আসে। এতে খাবার গ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধি পায় যা দেহে পর্যাপ্ত পুষ্টি সরবরাহ করে। এছাড়া আমের মধ্যে থাকা ভিটামিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি উপাদান শরীরের সর্বাত্মক উন্নয়নে কাজ করে।

আমের ভিন্ন স্বাদ নিতে

আমরা সাধারণত আম পাকার পর খেতে বেশি উৎসাহিত হই। তবে পাকা আমের থেকে কাঁচা আমে আরও বেশি পুষ্টি থাকে। তাছাড়া কাঁচা আম আপনি বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে আচার, চাটনি, জেলি, ভর্তা, শুঁটকি ইত্যাদি হিসেবে খেতে পারবেন। এতে দেহের পুষ্টিগুণ বৃদ্ধির পাশাপাশি একই আমের ভিন্ন ভিন্ন স্বাদ নিতে পারবেন। সর্বোপরি, পাকা আমের থেকে কাঁচা আমের ব্যবহারবিধি আরও বৈচিত্র্যময়।

গরমকালে ঠাণ্ডার সমস্যা নিরসনে

আমাদের দেশে গরমের সময় অতিরিক্ত তাপের কারণে দেহে বিভিন্ন প্রকারের ঠান্ডা জাতীয় রোগের দেখা দেয়। বিশেষ করে সর্দি, জ্বর এবং কাসি শরীরের অবস্থা একদম খারাপ করে দেয়। গতানুগতিক ওষুধ খেলে যদিও আরাম পাওয়া যায় তবে প্রাকৃতিক উপায়ে পাওয়া আম অনেক ভালো উপশমের কাজ করে। বিশেষ করে যদি কাঁচা আমের আচার তৈরি করে নিয়মিত খাওয়া হয় তবে এই ধরনের ঠান্ডা জাতীয় সমস্যা থেকে সুরক্ষিত থাকা যায়। এই কারণে আমাদের দেশে গরম কালে আচার খাওয়ার প্রচলন সব থেকে বেশি।

আমের আচারের নানাবিধ উপকারিতা

অম্লতা দূর করে

বুক জ্বালাপোড়া, গ্যাস, আসিডিটি বা অম্লতা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অভিশাপ। কাঁচা আম বা আমের আচার এই অম্লতা দূর করতে সাহায্য করে।

বমি ভাব কমায়

আসিডিটি বা অন্যান্য কারণে যদি বমি বমি ভাব হয় তবে আমের আচার খাওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের সকালে বমি ভাব কাটাতে এটি কার্যকর।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

আমের আচার খাওয়ার মাধ্যমে দেহের এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, যা ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

ওজন কমায়

আমের আচারে খুব স্বল্প পরিমাণে ক্যালোরি থাকে এবং এটি দেহের জমে থাকা ক্যালোরি খরচ করতে সহায়তা করে, ফলে ওজন কমানো সম্ভব হয়।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

আমের আচার রক্তে ক্ষতিকর শর্করা কমাতে সাহায্য করে, এতে ডায়াবেটিসসহ এই ধরনের সব রোগের সম্ভাব্যতা হ্রাস করে।

স্কার্ভি ও মাড়ির রক্ত পড়া রোধ করে

কাঁচা আম বা আমের আচারে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে। এই উপাদান স্কার্ভি ও মাড়ির রক্ত পড়া রোধ করতে সাহায্য করে।

শরীর ঠান্ডা রাখে

আচারে থাকা পটাশিয়াম দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে যা অতিরিক্ত গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।

যকৃতের সমস্যা দূর করে

কাঁচা আম বা কাঁচা আমের আচার পিত্তরসের পরিমাণ বৃদ্ধি করে, এতে যকৃতের স্বাস্থ্য সুগঠিত হয় এবং অন্ত্রে জীবাণু সংক্রমণ ঘটাতে পারে না।

আমের আচার কিভাবে বানায়?

আমের আচার বানানোর বিভিন্ন পদ্ধতি আছে। তবে এগুলোর মধ্যে সব থেকে বেশি পরিচিত কাঁচা আমের সুস্বাদু টক ঝাল আচার। এই আচার তৈরি করার জন্য যে যে পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে, তা নিচে দেওয়া হলো।

  1. প্রথমে আম ধুয়ে নিয়ে তা টুকরো টুকরো করে কেটে নিতে হবে।
  2. আমের চোঁচা টুকরোর সাথে রেখে দিতে হবে। কাটা হয়ে গেলে তা ভালোমতো পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।
  3. আমের টুকরো গুলো থেকে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে।
  4. রোদে শুকিয়ে আমের টুকরোগুলোকে ঝরঝরা করে নিতে হবে।
  5. তারপর সেই শুকনো আমের টুকরার উপর ধনিয়া, পাঁচ ফোড়ন, মৌরি, শুকনো মরিচ ব্লেন্ডার করে সরিষার তেলের সাথে মিশিয়ে ছড়িয়ে দিতে হবে।
  6. উক্ত মশলা উপাদানের সাথে পরিমাণ মত লবণ দিয়ে নিতে হবে।
  7. প্রতিটি টুকরোর চারপাশে সুন্দর করে তেল সহ মশলা দিয়ে নিতে হবে।
  8. তারপর এগুলো সুন্দর একটি পাত্রে রেখে রোদে শুকাতে হবে। যখন রোদে শুঁকানো হয়ে যাবে তখন তা ঠান্ডা করে কাচের বা প্লাস্টিকের জারে সরিষার তেলে ডুবিয়ে রাখতে হবে।

নোট: আপনি চাইলে শুকিয়ে অথবা রান্না করেও এই আচার তৈরি করতে পারবেন।

দ্রুত ডেলিভারির জন্য আজই ক্যাশ অন ডেলিভারিতে অর্ডার করুন!

ক্যাশ অন ডিলিভারিতে অর্ডার করুন।

পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আপনার অভিজ্ঞতা জানাতে কমেন্ট করুন!